News Ticker
221.png

৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, রিমান্ড শেষে কারাগারে রুবেল

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:১৬

শেয়ার

শেয়ার

৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণ কেনার চেষ্টা, রিমান্ড শেষে কারাগারে রুবেল
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর বনানীতে প্রায় ৫৭ লাখ টাকার জাল নোট দিয়ে স্বর্ণালংকার কেনার চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. রুবেল আহম্মেদ ফকিরকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার দুই দিনের রিমান্ড শেষে রুবেলকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জুম্মান খান। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ আগস্ট বিকেলে রুবেল আহম্মেদ ফকির (৪৬) ও তার সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফি (৩৭) রাজধানীর বনানী সুপারমার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত মনিমালা জুয়েলার্সে ক্রেতা সেজে প্রবেশ করেন।

তারা দোকানের কর্মীদের জানান, ভাগনির বিয়ের জন্য স্বর্ণালংকার কিনবেন। এরপর বিভিন্ন নকশার গয়না দেখতে চান।

একপর্যায়ে তারা প্রায় ২০ থেকে ২১ ভরি স্বর্ণালংকার পছন্দ করেন এবং সেগুলো বিল করে প্যাকেট করার কথা বলেন। গয়নার পরিমাণ ও দাম বেশি হওয়ায় দোকানের ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি মুঠোফোনে দোকানের মালিককে জানান।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দোকানের কর্মীদের সন্দেহ হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে রুবেল ও তার সহযোগী ট্রলি ব্যাগ ও টাকা ফেলে দোকান থেকে পালানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় দোকানের কর্মীদের চিৎকারে আশপাশের ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা এগিয়ে আসেন। তারা রুবেলকে ধরে ফেলেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে মারধর করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

তবে এ সময় তার সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফি কৌশলে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

খবর পেয়ে বনানী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুবেলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

পুলিশ তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা মূল্যমানের ৫৮টি বান্ডিলে মোট ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকার জাল নোট এবং একটি ট্রলি ব্যাগ জব্দ করার কথা জানিয়েছে।

পুলিশের দাবি, এসব জাল নোট ব্যবহার করেই স্বর্ণালংকার কেনার চেষ্টা করা হয়েছিল।

ঘটনার পর রুবেলের সহযোগী আবদুল্লাহ আল কাফিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে। মামলার তদন্তে জাল নোটের উৎস, এর সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনার পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্র রয়েছে কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

ঘটনার পর রুবেলকে গ্রেপ্তার করে মামলায় আদালতে হাজির করা হয়। তদন্তের স্বার্থে তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল।

রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আবার আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

ChannelNRB Footer