কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে তিনজন সরাসরি হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে শনিবার তিনি জানিয়েছিলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্লু পাওয়া গেছে এবং সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হয়। ফুটেজে অপ্রতীমকে এক যুবকের সঙ্গে দেখা যায়। এরপর তদন্তের সূত্র ধরে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।
অপ্রতীম শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। পরিবারের পক্ষ থেকে সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন সানন্দা এলাকার লালমাই পাহাড়ের পাদদেশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর তার মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে চারজনের মধ্যে তিনজনের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানানো হলেও হত্যাকাণ্ডের পুরো ঘটনা, এর উদ্দেশ্য এবং প্রত্যেকের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের পুরো রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন:







