News Ticker
221.png

বাংলাদেশের তথ্য পাচার করে ধরা ভারতীয় গুপ্তচর ৭ দিনের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৩

শেয়ার

শেয়ার

বাংলাদেশের তথ্য পাচার করে ধরা ভারতীয় গুপ্তচর ৭ দিনের রিমান্ডে
ছবি: সংগৃহীত

গুপ্তচরবৃত্তি ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভারতীয় নাগরিক রবিউল ইসলামের সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল। শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট, ১৯২৩-এর ৩, ৩এ, ৪, ৫ ও ৯ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ডিবি রমনা বিভাগের পরিদর্শক মেজবাহ উদ্দিন বাদী হয়ে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন। 

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রবিউল একজন ভারতীয় নাগরিক এবং গত ১০ থেকে ১২ বছরে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করেছেন। তিনি কখনো পর্যটক, আবার কখনো ব্যবসায়িক ভিসায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন বলে তদন্তসংশ্লিষ্টদের দাবি।

পুলিশের অভিযোগ, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের আড়ালে তিনি গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত ছিলেন এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচার করতেন। 

তদন্তকারীদের দাবি, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের পর ১৫ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অবস্থানকালে রবিউল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা ও নিষিদ্ধ এলাকার ছবি এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথি বা তথ্য বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানোর চেষ্টা করেন। 

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ আরও জানিয়েছে, রবিউলের ভারতীয় পাসপোর্টে জন্মস্থান হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদ উল্লেখ রয়েছে। একই সঙ্গে তার পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও অন্যান্য পরিচয়পত্রে জন্মতারিখের অমিল পাওয়া গেছে বলে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন।

আদালত সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের পর রবিউলকে দুই দফায় রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সেই জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে নতুন মামলা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রবিউলের কাছ থেকে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, ভারতীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স, একটি আইফোন-১৪ এবং একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এ-১৪ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ডিভাইস ও নথি তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে।

তবে রবিউল তার বিরুদ্ধে ওঠা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। এর আগে আদালতে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় দেন এবং ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও অস্বীকার করেন। 

ChannelNRB Footer