News Ticker
221.png

স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ১

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৫২

শেয়ার

শেয়ার

স্কুলছাত্রী তাজমিন হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ১
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যা মামলায় সুমন নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে চট্টগ্রাম নগরী থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) লুৎফর রহমান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একাধিক দল অভিযান চালিয়ে সুমনকে গ্রেপ্তার করে। তিনি তাজমিনকে বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৪ অক্টোবর কুমিল্লা নগরের রেসকোর্স এলাকার বাসা থেকে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার কথা বলে বের হয় তাজমিন। এরপর থেকে তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিখোঁজের চার দিন পর, বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগতপুর উত্তরপাড়ার মানুমুড়া জঙ্গলসংলগ্ন একটি ফসলি জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের গলায় গামছা পেঁচানো ছিল।

নিহত তাজমিন যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের ছাতিয়ানতলা এলাকার আবদুল আলীমের মেয়ে। সে কুমিল্লা নগরের ফরিদা বিদ্যায়তনের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরিবারের সঙ্গে সে রেসকোর্স এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকত।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, তাজমিনকে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারের নূরজাহান হোটেলসংলগ্ন এলাকায় দেখা গিয়েছিল। সেখানকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে তার চলাচল ও আশপাশের কয়েকটি দোকানের সামনে অবস্থানের তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশের তদন্তে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি সামনে আসে। পরে চট্টগ্রাম নগরীতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরিবারের বরাতে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নিখোঁজ থাকার সময় তাজমিন তার বাবার মোবাইল ফোনে বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল। মেয়ের পাঠানো অবস্থান শনাক্ত করে পরিবারের সদস্যরা সেখানে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পান তাঁরা।

তাজমিনের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা আবদুল আলীম বাদী হয়ে লালমাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে সুমনের পাশাপাশি অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তাজমিনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং হত্যার প্রকৃত কারণ ও ঘটনার পেছনের উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটনের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

ChannelNRB Footer