যুক্তরাষ্ট্র যদি আবারও ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর সামরিক হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল ও গ্যাসক্ষেত্র লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের দাবি, এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোও হামলার আওতায় আসতে পারে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম নুর নিউজ শনিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা করে, তবে আঞ্চলিক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল ও গ্যাসক্ষেত্রও “ছাই হয়ে যাবে”। প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য যেকোনো মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জবাব দিতে ইরান প্রস্তুত রয়েছে।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেও পরে জানান, দ্রুত একটি সমঝোতার সম্ভাবনা থাকায় আপাতত নতুন হামলা স্থগিত রাখা হবে। তবে তিনি বলেন, আলোচনা ব্যর্থ হলে সামরিক বিকল্প এখনও বিবেচনায় রয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার বিরুদ্ধে “নির্ণায়ক ও কঠোর জবাব” দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন, যাতে পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে না যায়।
এদিকে সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলো পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোতে নতুন করে হামলা হলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও বেড়ে যেতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স
আরও পড়ুন:







