News Ticker
221.png

ইরান যুদ্ধে প্রায় সব ধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:১৬

আপডেট: ৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৮

শেয়ার

শেয়ার

ইরান যুদ্ধে প্রায় সব ধরনের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র!
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র তার দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল হামলার জন্য ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় পুরো মজুত ব্যবহার করে ফেলেছে বলে একাধিক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংঘাত মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী যুদ্ধ চলাকালে Army Tactical Missile System (ATACMS) এবং নতুন প্রজন্মের Precision Strike Missile (PrSM)-এর প্রায় সব মজুত ব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর বৈশ্বিক Tomahawk ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতেরও প্রায় অর্ধেক ব্যয় হয়েছে। এছাড়া Patriot ও THAAD ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরও উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। 

মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের একাংশের আশঙ্কা, এত বিপুল পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে চীন বা রাশিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক সামরিক সক্ষমতা চাপে পড়তে পারে। এ কারণে অস্ত্র উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এখনও পর্যাপ্ত অস্ত্রভাণ্ডার রয়েছে এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে উৎপাদন বাড়ানোর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। পেন্টাগনও জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি সত্ত্বেও মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রয়োজনীয় অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। তবে অভ্যন্তরীণভাবে অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ উচ্চ-নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় নতুন করে ভারসাম্য আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক অস্ত্র উৎপাদন, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা সহায়তার ওপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।

সূত্র: রয়টার্স

ChannelNRB Footer