ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটির সরকারি বাহিনীর অন্তত ৫৮ জন সেনা নিহত এবং আরও বহু সেনা আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) মারিব (Marib) ও হাদরামাউত (Hadramout) প্রদেশে সরকারি সেনাদের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই সমন্বিত হামলা চালানো হয়।
ইয়েমেনের সামরিক সূত্র জানায়, হুথিরা একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও সশস্ত্র ড্রোন ব্যবহার করে সেনা শিবিরে হামলা চালায়। হামলার তীব্রতায় বহু সেনা ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আহতদের অনেকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, সরকারি বাহিনীর সামরিক সমাবেশ লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার এ ঘটনাকে যুদ্ধবিরতির পর সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করে এর জন্য হুথিদের দায়ী করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২২ সালের যুদ্ধবিরতির পর এটি ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সবচেয়ে প্রাণঘাতী সামরিক হামলাগুলোর একটি। হামলার পর দেশটিতে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এদিকে সৌদি আরবও হুথিদের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়ে সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের ঘোষণা দিয়েছে।
ইয়েমেনের দীর্ঘদিনের গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটিতে মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। সাম্প্রতিক এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সংঘটিত হওয়ায় আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন:







