News Ticker
221.png

কথা-কাটাকাটির জেরে নিউইয়র্কে নারীকে কুপিয়ে হত্যা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯

শেয়ার

শেয়ার

কথা-কাটাকাটির জেরে নিউইয়র্কে নারীকে কুপিয়ে হত্যা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে কথা-কাটাকাটির জেরে ৩০ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে ক্রাউন হাইটস এলাকার লিংকন টেরেস পার্কে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম শাকিমা ডেভিস (Shakeema Davis) বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটের পর লিংকন টেরেস পার্কে এক নারী ও এক পুরুষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই বিরোধ সহিংসতায় রূপ নেয় এবং ওই ব্যক্তি নারীকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ও জরুরি বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ডেভিসকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে ব্রুকডেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি ৭ নিউ ইয়র্ক জানিয়েছে, ঘটনার সময় ডেভিস তার ৭ বছর বয়সী ছেলের সঙ্গে ছিলেন। নিহতের বন্ধুদের দাবি, শিশুটি তার মায়ের ওপর হামলার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছে। ঘটনার পর স্বজন ও বন্ধুদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতের এক বন্ধু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, তাদের মধ্যে যে বিরোধ হয়েছিল, সেটি খুবই সামান্য ছিল এবং পরিস্থিতি এভাবে প্রাণঘাতী হওয়ার মতো ছিল না। তবে পুলিশ এখনো হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা হামলাকারীর সঙ্গে নিহত নারীর সম্পর্ক নিশ্চিত করেনি।

হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে শেষবার খালি গায়ে ও ধূসর রঙের প্যান্ট পরা অবস্থায় রচেস্টার অ্যাভিনিউয়ের দিকে দৌড়ে যেতে দেখা যায়। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে তদন্ত চালায় এবং পার্কের বেঞ্চ ও আশপাশের এলাকায় আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তকারীরা ঘটনাস্থলে থাকা বিভিন্ন সামগ্রীও পরীক্ষা করেন।

এই হত্যাকাণ্ডের ফলে ক্রাউন হাইটস এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। CBS New York-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে এটি ওই এলাকায় দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড। স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ রাতে পার্ক এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

নিউইয়র্ক পুলিশ সন্দেহভাজনকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ, নিহত ও হামলাকারীর সম্ভাব্য পরিচয় বা সম্পর্ক এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে তা তদন্তের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

তথ্যসূত্র: এবিসি ৭ নিউ ইয়র্ক

ChannelNRB Footer