News Ticker
সর্বশেষ
২৭ বছর পর বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন ৯/১১ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ খালিদ অর্থসংকটে থমকে যাওয়া চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ফাতেমার পাশে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ৮ হাজার মুসলমান হত্যার নেতৃত্ব দেওয়া ‘বসনিয়ার কসাই’ রাটকোর মৃত্যু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডন বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে: চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
221.png

২৭ বছর পর বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন ৯/১১ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ খালিদ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৬

শেয়ার

শেয়ার

২৭ বছর পর বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন ৯/১১ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ খালিদ
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের (৯/১১) সন্ত্রাসী হামলার কথিত ‘মাস্টারমাইন্ড’ খালিদ শেখ মোহাম্মদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক আদালতের বিচারক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাইকেল শ্রামা ২০২৮ সালের ৫ জুন থেকে বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন।

আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও আরও তিন আসামির বিরুদ্ধে ৯/১১ হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। হামলায় নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, পেন্টাগন এবং পেনসিলভানিয়ার একটি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এতে প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিহত হন।

মামলাটি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নানা আইনি জটিলতায় আটকে আছে। প্রসিকিউশন পক্ষ ২০২৭ সালের শুরুতে বিচার শুরুর প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বিচারক শ্রামা মনে করেছেন, বিচার শুরুর আগে প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রাক-বিচার সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির জন্য আরও সময় প্রয়োজন। ফলে ২০২৭ সালের পরিবর্তে ২০২৮ সালের ৫ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। 

খালিদ শেখ মোহাম্মদকে ২০০৩ সালের মার্চে পাকিস্তান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তিনি কয়েক বছর সিআইএর গোপন কারাগারে ছিলেন। ২০০৬ সালে তাকে কিউবার গুয়ানতানামো বে কারাগারে নেওয়া হয়। 

তার বিরুদ্ধে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে বিলম্বিত হয়েছে। বিশেষ করে সিআইএর হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের সময় কথিত নির্যাতনের মাধ্যমে পাওয়া স্বীকারোক্তি আদালতে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে—এ নিয়ে বড় ধরনের আইনি বিতর্ক রয়েছে। 

খালিদ শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে একই মামলায় আরও তিনজনের বিচার হবে। তারা হলেন—ওয়ালিদ বিন আতাশ, আলী আবদুল আজিজ আলী এবং মুস্তাফা আল-হাওসাউই। চারজনকেই গুয়ানতানামো বে-তে আটক রাখা হয়েছে। 

বিচার শুরুর আগে সামরিক সদস্যদের সমন্বয়ে জুরি প্যানেল নির্বাচন করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী উভয় পক্ষের উদ্বোধনী বক্তব্য, সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন এবং অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলবে। শেষে সাজা নির্ধারণের পর্যায় আসবে।

২০২৪ সালে খালিদ শেখ মোহাম্মদ ও আরও দুই আসামি প্রসিকিউশনের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছিলেন। ওই চুক্তির আওতায় তারা দোষ স্বীকার করলে মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থেকে রেহাই পাওয়ার কথা ছিল। তবে তৎকালীন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ওই চুক্তি বাতিল করেন। পরবর্তী সময়ে মার্কিন আপিল আদালতও চুক্তিটি কার্যকর হতে দেয়নি।

ফলে আবারও পূর্ণাঙ্গ বিচারের পথ তৈরি হয়। তবে বিচার শুরুর আগে আরও বেশ কিছু আইনি প্রশ্নের নিষ্পত্তি করতে হবে।

৯/১১ হামলার প্রায় ২৭ বছর পরেও মামলার পূর্ণাঙ্গ বিচার শুরু হয়নি—এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম দীর্ঘ ও জটিল সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সর্বশেষ আদেশ অনুযায়ী, আগামী ৫ জুন ২০২৮ গুয়ানতানামো বে-তে সামরিক আদালতে বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

ChannelNRB Footer