গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৭৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৯৮ জন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সর্বশেষ এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে তিনজন নিহত এবং ২৭ জন আহত অবস্থায় পৌঁছেছেন। এর মধ্য দিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর উপত্যকাটিতে মোট হতাহতের সংখ্যা আরও বেড়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হামলা ও গোলাগুলিতে অন্তত ১ হাজার ৩৭৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে আহত হয়েছেন আরও ৪ হাজার ৬৮৬ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮৩১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের দাবি, ধ্বংসস্তূপের নিচে ও বিভিন্ন এলাকায় আরও বহু মানুষের মরদেহ পড়ে থাকতে পারে। তবে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি, ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং উদ্ধার সরঞ্জাম ও জনবলের সংকটের কারণে উদ্ধারকারী ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা দল অনেক এলাকায় পৌঁছাতে পারছে না। ফলে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।
সর্বশেষ প্রতিবেদনে গাজার বিভিন্ন এলাকায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। তেহরানভিত্তিক তাসনিমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা সিটির একটি শিল্প এলাকায় ড্রোন হামলায় দুজন নিহত হন। উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে গুলিতে আরও একজন নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের মানবিক বিষয়ক দপ্তরও গাজার জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হওয়ার খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
দীর্ঘ সংঘাতে গাজার আবাসিক এলাকা, অবকাঠামো ও জরুরি সেবাব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, বিপুলসংখ্যক আহত মানুষ চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছাচ্ছেন, একই সময়ে উদ্ধারকাজও নানা সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েছে।
সূত্র: ওয়াফা এজেন্সি
আরও পড়ুন:







