পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে রোববার সকালে ১ হাজার ১৪৩ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী প্রবেশ করেছেন। জেরুজালেমের গভর্নরেটের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা ও আনাদোলু এজেন্সি।
২৭ সেপ্টেম্বর, রোববার ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব সুক্কোতের দ্বিতীয় দিন উপলক্ষে এই প্রবেশের ঘটনা ঘটে। জেরুজালেম গভর্নরেট জানিয়েছে, সকালবেলায় একের পর এক দলে তারা আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন। এ সময় তাদের ইসরায়েলি পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা দেওয়া হয়।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বসতি স্থাপনকারীরা আল-আকসা প্রাঙ্গণে প্রবেশ করেন মাগরিবি গেট দিয়ে। প্রবেশের পর কয়েকটি দল প্রাঙ্গণে ঘোরাফেরা করে এবং সেখানে ইহুদি ধর্মীয় প্রার্থনা ও বিভিন্ন আচার পালন করে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকজন বসতি স্থাপনকারী আল-আকসার ভেতরে তালমুদিক আচার ও প্রার্থনায় অংশ নেন। বাব আল-কাতানিনের কাছাকাছি এসব কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি গান ও অন্যান্য ধর্মীয় আচারেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিন আল-আকসা প্রাঙ্গণে সুক্কোত উৎসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তথাকথিত উদ্ভিদ উৎসর্গ নেওয়া হয়েছে বলেও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জেরুজালেম গভর্নরেটের দাবি, ইসরায়েলি পুলিশ এসব সামগ্রী প্রাঙ্গণে নেওয়া ঠেকায়নি। ফিলিস্তিনি পক্ষ এটিকে আল-আকসার ঐতিহাসিক ও আইনগত অবস্থার পরিবর্তনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখছে।
১ হাজার ১৪৩ জনের প্রবেশের পর ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ মাগরিবি গেট বন্ধ করে দেয় বলে ওয়াফা জানিয়েছে। একই সময়ে আল-আকসার আশপাশ ও জেরুজালেমের পুরোনো শহরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
ওয়াফার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আল-আকসার দিকে যাওয়ার বাব আল-কাতানিন মার্কেটের কয়েকটি দোকান বন্ধ করতে মালিকদের বাধ্য করা হয় এবং ওই এলাকায় মানুষের চলাচলেও বিধিনিষেধ ছিল।
আল-আকসা প্রাঙ্গণে বসতি স্থাপনকারীদের প্রবেশের পাশাপাশি মুসলিম মুসল্লিদের প্রবেশ ও চলাচলের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে বলে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে। আল-আকসার প্রবেশপথগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে আল-আকসা ও পুরোনো জেরুজালেম এলাকায় চলাচলে কড়াকড়ি আরও বেড়েছে।
আরও পড়ুন:







