News Ticker
221.png

মধ্যপ্রাচ্যে ৯ হাজার সেনা ও ৩ রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৯

শেয়ার

শেয়ার

মধ্যপ্রাচ্যে ৯ হাজার সেনা ও ৩ রণতরী পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার নাবিক ও মেরিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নতুন এই মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ নাগাদ অঞ্চলটিতে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। 

নতুন করে পাঠানো সামরিক বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরী স্ট্রাইক গ্রুপ এবং ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যামফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপ। বহরটির সঙ্গে দুটি উভচর অবতরণকারী জাহাজও রয়েছে। সব মিলিয়ে বহরটিতে ৭ হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় ২ হাজার মেরিন সদস্য রয়েছেন। 

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। নতুন করে থিওডোর রুজভেল্ট স্ট্রাইক গ্রুপ যুক্ত হলে একই সময়ে তিনটি মার্কিন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ওই অঞ্চলে অবস্থান করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, নতুন বহরটি অক্টোবরের শেষ দিকে বা নভেম্বরের মধ্যে অঞ্চলে পৌঁছাতে পারে। 

এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ও মেরিন কোরের সদস্যসংখ্যা ২০ হাজারের বেশি হতে পারে। ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এ অঞ্চলে একসঙ্গে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী মোতায়েনের ঘটনা এবারই আবার সামনে এসেছে। 

এই সামরিক মোতায়েন এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। তবে নতুন সামরিক মোতায়েনের অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে হামলা শুরু হবে—এমন ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র দেয়নি।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ফলে মার্কিন প্রশাসনের সামনে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের জন্য আরও বেশি বিকল্প তৈরি হচ্ছে। তবে এসব মোতায়েনের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ পরিস্থিতি এবং কূটনৈতিক আলোচনার ওপর নির্ভর করবে। 

নতুন বহরের অন্যতম প্রধান জাহাজ ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট। এর সঙ্গে কয়েকটি সহায়ক ও যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। পাশাপাশি ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ডের নেতৃত্বে উভচর যুদ্ধ সক্ষমতাসম্পন্ন একটি গ্রুপও মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাচ্ছে।

নতুন বহরগুলো যোগ হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ ও বিমান সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বর্তমানে অঞ্চলে থাকা বাহিনীর সঙ্গে নতুন সদস্য ও যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়ে মোট মার্কিন নৌসেনা ও মেরিনের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়াতে পারে। এর পাশাপাশি শত শত সামরিক বিমানও অঞ্চলে অবস্থান করতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ChannelNRB Footer