News Ticker
221.png

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত অনেকে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৪৩

শেয়ার

শেয়ার

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৭ ফিলিস্তিনি নিহত, আহত অনেকে
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা ও গুলিবর্ষণে অন্তত সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। রোববার (২৫ অক্টোবর) উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নারী ও শিশুসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র। 

ওয়াফার প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহর পূর্বাঞ্চলে আল-মাজরা এলাকায় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় হামদান সালমান আবু আমরা নামে এক ফিলিস্তিনি নিহত হন।

উত্তর গাজায় হামাদ হাসপাতালের কাছে আল-রশিদ সড়কে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলায় ফাওজি সালেম আল-সাওয়ারকা নিহত হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে আসদা কারাগারের আশপাশে হামলায় দুই ভাই আলা আহমেদ আবু জায়েদ ও নাবিল আহমেদ আবু জায়েদ নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন, যাঁদের মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে।

অন্যদিকে, গাজা সিটির ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় হামলায় আশরাফ দাহলান, শাদি আবু আতাইয়া ও সামি বারুদ নিহত হন। সেখানে একদল মানুষের ওপর হামলার পর আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

হামলায় আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্র ও হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে ওয়াফা জানিয়েছে, আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।

এ ছাড়া উত্তর গাজার আল-ফালুজা এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক ফিলিস্তিনি পায়ে আহত হয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় হামলা ও গুলিবর্ষণের কারণে উদ্ধারকাজ পরিচালনাও কঠিন হয়ে পড়ছে।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটছে বলে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো জানিয়েছে। এসব ঘটনায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি অব্যাহত থাকায় যুদ্ধবিরতির কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় সাধারণ মানুষ নিহত ও আহত হচ্ছেন। অন্যদিকে, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ নিজেদের নিরাপত্তা ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতার বিষয়টি সামনে রেখে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়ে আসছে।

দীর্ঘ সংঘাতে গাজার হাসপাতাল, আবাসন ও জরুরি পরিষেবার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খাদ্য, ওষুধ, বিশুদ্ধ পানি এবং নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে রয়েছেন বহু মানুষ। নতুন করে হামলা ও প্রাণহানির ঘটনা আহতদের চিকিৎসা এবং ত্রাণ কার্যক্রমকে আরও কঠিন করে তুলছে।

ChannelNRB Footer