News Ticker
221.png

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৬

শেয়ার

শেয়ার

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল পাকিস্তান ও আফগানিস্তান
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ এশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চলে আঘাত হানা এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.২। শক্তিশালী এ কম্পন আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়। পাশাপাশি পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি এলাকাতেও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (ইএমএসসি) ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫.২ রেকর্ড করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ অঞ্চল এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল প্রায় ১১০ কিলোমিটার। এর আগে ভূমিকম্পটির প্রাথমিক মাত্রা বেশি অনুমান করা হলেও পরে তা সংশোধন করা হয়।

আফগান সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী কাবুল, নানগারহার প্রদেশ এবং আশপাশের কয়েকটি এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। আকস্মিক এ কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।

প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত আফগানিস্তানে ভূমিকম্পের কারণে হতাহত কিংবা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো তাৎক্ষণিক খবর পাওয়া যায়নি। তবে ভূমিকম্প-পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হালনাগাদ তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।

আফগানিস্তানের পাশাপাশি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন অংশ এবং গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে।

তবে পাকিস্তানে ভূমিকম্পের কারণে হতাহত বা অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলোতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পরবর্তী সরকারি তথ্যের অপেক্ষা করতে হবে।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত। বিশেষ করে হিন্দুকুশ পর্বতমালা ও আশপাশের ভূতাত্ত্বিক অঞ্চলে ভারতীয় ও ইউরেশীয় টেকটোনিক প্লেটের পারস্পরিক সংঘর্ষের কারণে ভূগর্ভে চাপ তৈরি হয়। এ চাপের পরিবর্তন ও ভূত্বকের নড়াচড়ার ফলে প্রায়ই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটে।

ভূমিকম্পের মাত্রার পাশাপাশি এর উৎপত্তিস্থলের গভীরতা, জনবসতি থেকে দূরত্ব এবং স্থানীয় ভবনগুলোর নির্মাণমানের ওপর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ভর করে। ফলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পও কোনো কোনো এলাকায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।

সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র প্রাথমিক প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ChannelNRB Footer