News Ticker
221.png

নির্বাচনে হেরে ব্রাজিল থেকে পরিবারসহ পালালেন বলসোনারো

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৪

শেয়ার

শেয়ার

নির্বাচনে হেরে ব্রাজিল থেকে পরিবারসহ পালালেন বলসোনারো
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার খবর এসেছে ডানপন্থী রাজনীতিক ও সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারোকে নিয়ে। তাঁর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা পাবেন বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিসার ধরন এবং যুক্তরাষ্ট্রে তাঁদের অবস্থানসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। 

ব্রাজিলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর ফ্লাভিওর দেশত্যাগের খবর সামনে আসে। নির্বাচনে পরাজয়ের পরপরই তিনি ফলাফল নিয়ে আপত্তি তোলেন এবং নির্বাচন বাতিলের দাবি জানান। তাঁর দল অবশ্য লুলার বিজয় মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

অর্থপাচারসংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট ফ্লাভিও বলসোনারোকে তাঁর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাসপোর্ট জমা না দেওয়ার পর তাঁর দেশত্যাগ নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়।

ফ্লাভিওর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থপাচার ও কর ফাঁকির অভিযোগে তদন্ত চলছে। তবে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তদন্তের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য এবং আদালতের নির্দেশ ঘিরে ব্রাজিলের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ফ্লাভিও বলসোনারো ও তাঁর পরিবারকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ভিসা দেওয়া হবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফ্লাভিওর যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

তবে ব্রাজিল ছাড়ার পর তাঁর সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও যাত্রাপথ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে দেশত্যাগের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে সব তথ্য এখনো স্পষ্ট নয়।

ফ্লাভিওর দেশত্যাগের খবর নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দেশে থেকেই ফ্লাভিওর উচিত ছিল নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করা।

উল্লেখ্য, ফ্লাভিও বলসোনারো ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে পরাজয়ের পর জাইর বলসোনারোও যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় গিয়েছিলেন। পরে ব্রাজিলে ফিরে আসেন তিনি। ২০২২ সালের নির্বাচনের পর অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের মামলায় তাঁর ২৭ বছরের সাজা হয়।

ফ্লাভিওর দেশত্যাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ব্রাজিলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ বিষয়ে ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

ChannelNRB Footer