ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি পেট্রোল পাম্পে সৌদি আরবের বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। হতাহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) ইয়েমেনের আল-জাওফ প্রদেশের রাজধানী হাজম শহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
সৌদি আরবের চালানো বিমান হামলায় হাজম শহরের একটি পেট্রোল পাম্পে হতাহতের ঘটনা ঘটে। হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়।
তবে হতাহতদের পরিচয় ও তাঁদের মধ্যে কতজন নারী ও শিশু রয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্রও স্পষ্ট হয়নি।
হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইয়েমেনে দীর্ঘদিন ধরে হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং সৌদি-সমর্থিত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মধ্যে সংঘাত চলছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ায় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধেও হামলা জোরদার করেছে। এর জবাবে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর সামরিক অভিযান এবং পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইয়েমেনের চলমান সংঘাতের সঙ্গে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিও যুক্ত হয়েছে। এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ইয়েমেনে নতুন করে সংঘাত বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠছে। বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও সশস্ত্র সংঘাতের কারণে বেসামরিক হতাহতের পাশাপাশি ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষ করে বাজার, জ্বালানি সরবরাহকেন্দ্র এবং জনবহুল এলাকায় হামলার ঘটনা স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তা ও জরুরি পরিষেবা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
আরও পড়ুন:







