News Ticker
221.png

মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৮

আপডেট: ১০ আগস্ট, ২০২৬ ২২:৩৭

শেয়ার

শেয়ার

মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত
মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ রাষ্ট্রের অন্যতম অঙ্গীকার এবং মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণ রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য। এছাড়া জাতিসংঘের সর্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণাসহ মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইন, সনদ, এবং এ সংক্রান্ত চুক্তিসমূহ পরিপালন করতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন এবং নিশ্চিতকরণের জন্য একটি কার্যকর ও স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গঠন করা আবশ্যক। এর পরিপ্রেক্ষিতে, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া প্রণীত হয়। ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
(ক) কমিশন গঠন এবং এর মেয়াদকাল সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট বিধান রাখা হয়েছে; এক জন চেয়ারপার্সন ও চার জন কমিশনার সমন্বয়ে যে কমিশন গঠিত হবে, তাতে ন্যূনতম এক জন নারী অন্তর্ভুক্তির বিধান রাখা হয়েছে; এছাড়া কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃ-গোষ্ঠী, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দেয়ার বিধান যুক্ত করা হয়েছে;
(খ)​বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি ও নৃ-গোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে;
(ঘ) ​কমিশনের কার্যপরিধি সুস্পষ্টকরণসহ অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থা সহজ করা হয়েছে;
(ঙ) ​কার্যকর তদন্ত ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে;
(চ) ​তদন্ত চলাকালীন ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ বা ক্ষতি রোধে কমিশনকে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশদানের ক্ষমতার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে;
(ছ) ​জাতিসংঘের ‘নির্যাতন বিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল’ (OPCAT) অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম রোধকল্পে একটি জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (NPM) ইউনিট গঠনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রিসভা কর্তৃক ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

ChannelNRB Footer