News Ticker
সর্বশেষ
২৭ বছর পর বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন ৯/১১ হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ খালিদ অর্থসংকটে থমকে যাওয়া চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণে ফাতেমার পাশে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অবকাঠামো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্যাক্টে বাংলাদেশকে যুক্ত করার প্রস্তাব এলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ৮ হাজার মুসলমান হত্যার নেতৃত্ব দেওয়া ‘বসনিয়ার কসাই’ রাটকোর মৃত্যু সালমান শাহ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডন বাংলাদেশ-চীন নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়নে একযোগে কাজ করছে: চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন রিয়াদে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ প্রবাসীর মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
221.png

রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১৭

শেয়ার

শেয়ার

রংপুরের ঘটনায় দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্তদের যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর সংঘটিত অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে পুলিশ দ্রুততার সঙ্গে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর নয়াপল্টনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রংপুরে যে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সেই ঘটনায় জড়িতদের যৌক্তিক সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, রাতারাতি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা যায় না। তবে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে পুলিশ কাজ করছে। দায়িত্ব নেওয়ার পর এমন কোনো অপরাধের ঘটনা নেই, যার ক্ষেত্রে কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি—এমন দাবিও করেছেন তিনি। 

রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে গত শনিবার রাতে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তী ও মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গণপতি চক্রবর্তী রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন। ময়নাতদন্তে চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যার আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। 

ঘটনার পর দ্রুত তদন্তে নামে পুলিশ। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একই এলাকার দুই যুবক মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন। 

রংপুর মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনের সময় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে গণপতি চক্রবর্তীকে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার আশঙ্কায় তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তানকেও হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি। 

তবে পুলিশের এই বক্তব্য নিয়ে স্থানীয়দের একটি অংশ, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হত্যার পর অভিযুক্তরা কেন দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করেছিল, ঘুমন্ত শিশুকে কেন হত্যা করা হলো এবং ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর চাওয়া হচ্ছে।

পুলিশের দেওয়া প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করার কথা জানিয়েছে পুলিশ। 

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির একজনের বন্ধু ও প্রতিবেশী সীমান্ত দাসও আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন। তদন্তকারীরা হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ, অন্য কারও সম্পৃক্ততা এবং ঘটনাপ্রবাহের বিভিন্ন অসংগতি খতিয়ে দেখছেন।

রংপুরের হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্যতম দায়িত্ব। সরকার সেই দায়িত্ব পালনে গুরুত্ব দিচ্ছে।

আরও পড়ুন:

ChannelNRB Footer