সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
সরকার দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না রেখে উৎপাদক হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, ‘এক গ্রাম এক পণ্য’ কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে ১৫০ শয্যার হাসপাতাল এবং সর্বজনীন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে জাকাতকে কীভাবে যুক্ত করা যায়, তা নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। গতকাল বিকালে রাজধানীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি অডিটরিয়ামে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর আওতাধীন ফাউন্ডেশনগুলোর ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি, সরকারের নির্বাচনী ইশতাহার এবং ‘ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ নিয়ে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।
ড. তিতুমীর জানান, মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত ফাউন্ডেশনগুলোর কার্যক্রমকে ক্লাস্টারভিত্তিক সমন্বয় করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২২টি ফাউন্ডেশনকে নিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই ধরনের ম্যান্ডেট নিয়ে কাজ করা ফাউন্ডেশনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করানো হবে।
সৌরবিদ্যুতের পরিকল্পনা তুলে ধরে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বর্তমানে অধিকাংশ মানুষ বিদ্যুতের গ্রাহক। তাদের গ্রাহক থেকে কীভাবে উৎপাদকে পরিণত করা যায় এবং এর সঙ্গে পরিবেশ, প্রতিবেশ ও ভবিষ্যতের বাসযোগ্য পৃথিবীর জন্য নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের দিকে যাওয়া যায়, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ থেকে পাঁচ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ফাউন্ডেশনগুলো এরই মধ্যে দুই গিগাওয়াটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ পরিমাণ আরো বাড়তে পারে।’
সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্রাহকদের যুক্ত করতে বাজেটে থাকা ২ হাজার কোটি টাকা ব্যবহারের পরিকল্পনা তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ‘ইডকল ও বিআইএফএলকে ওই অর্থ দেয়া হবে। গ্রাহক বা উৎপাদক ২০ শতাংশ অর্থ দেবেন। এগ্রিগেটর প্রতিষ্ঠান দেবে আরো ২০ শতাংশ। বাকি ৬০ শতাংশ সরকারি ঋণ দেয়া হবে। এর ফলে ব্যাপক হারে গ্রাহকরা উৎপাদকে পরিণত হবেন।
আরও পড়ুন:







