News Ticker
সর্বশেষ
আন্দোলনে সহিংসতা-ভাঙচুর করতে ভাড়ায় লোক নিয়োগ হয়েছে, বলছেন শ্রমিক নেতারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ইন্ধনে তৈরি পোশাক খাতে কিছু মালিক ও শ্রমিক নেতা অস্থিরতা তৈরির পাঁয়তারা করছে - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘নতুন যুদ্ধ আগের চেয়েও দীর্ঘ হতে পারে’, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সতর্কবার্তা বারে মদ্যপান, প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীতে যান তাহসিফ ৩১৮ কারখানা বন্ধ, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক এল নিনোর ভয়াবহ তাণ্ডব মোকাবিলায় বলিভিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি ক্লাস্টার বোমার ওয়ারহেডের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া ইয়েমেনের তেল শোধনাগারে সৌদি জোটের বিমান হামলা, আহত অন্তত ৩
221.png

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার এর সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩৬

শেয়ার

শেয়ার

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় হাইকমিশনার এর সাক্ষাৎ
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ-এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উপদেষ্টাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানাদিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধু প্রতীম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সাথে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুইদেশের সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা দুটি দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দুটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি নির্দিষ্ট কোনো দলের সাথে সম্পর্ক না রেখে জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক বৃদ্ধির উপর জোরারোপ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সুদৃঢ় হবে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করেন। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। তিনি দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি দুইটি দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:

ChannelNRB Footer