সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করলে হবে না। এর পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে।
বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে তা পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা হবে।
কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকেরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে এ দায়িত্ব পালন করবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।
এ সময় যেসব স্থানে পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে, সেসব স্থান চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হবে।
মাঠপর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে টেলিভিশনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সচেতনতামূলক বার্তা প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:







