সর্বশেষ
সরকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে এবং দেশের বিশাল যুবসমাজকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারবে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন। এই লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির বাইরেও তৃতীয় একটি ভাষা শেখা আবশ্যক। এভাবে গড়ে ওঠা দক্ষ জনশক্তিকে বিদেশে রপ্তানি করা গেলে, যেমন একদিকে তাঁদের পরিবারে সচ্ছলতা আসবে, অন্যদিকে জাতীয় রেমিট্যান্সের প্রবাহও বৃদ্ধি পাবে।
-এ জেড এম জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী
আরও পড়ুন:







