ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট প্রতিদ্বন্দ্বিতার উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ফাতিমা সানাকে জড়িয়ে ধরে আলোচনায় এসেছেন ভারতীয় ক্রিকেটার জেমিমা রদ্রিগেজ। ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে ম্যাচ শেষে দুই ক্রিকেটারের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটভক্তদের একাংশ জেমিমার সমালোচনা শুরু করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাউদার্ন ব্রেভ ও বার্মিংহাম ফিনিক্স-এর মধ্যকার ম্যাচ শেষে জেমিমা ও ফাতিমা একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং আলিঙ্গন করেন। ঘটনাটি ক্যামেরায় ধরা পড়ার পর ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।
তবে ভারত-পাকিস্তানের সাম্প্রতিক ক্রিকেট সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, যেখানে দুই দেশের পুরুষ ও নারী ক্রিকেটে কিছু সময় ধরে রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাব দেখা যাচ্ছে, সেখানে এমন প্রকাশ্য সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ কতটা গ্রহণযোগ্য।
অন্যদিকে, অনেক ক্রিকেটপ্রেমী জেমিমার পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, খেলাধুলার মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও খেলোয়াড়দের মধ্যে পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্ব থাকা স্বাভাবিক। তাদের মতে, একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত সৌজন্যমূলক আচরণকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত নয়।
এর আগে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে করমর্দন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ম্যাচ শেষে হাত মেলানো না হওয়ার ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
জেমিমা রদ্রিগেজ বর্তমানে ভারতের অন্যতম পরিচিত নারী ক্রিকেটার। অন্যদিকে ফাতিমা সানা পাকিস্তান নারী দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দুই দেশের ক্রিকেটারদের এই মুহূর্ত আবারও মাঠের বাইরের সম্পর্ক ও ক্রীড়াসুলভ আচরণ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু করেছে।
ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ সবসময়ই আবেগ ও রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার ঐতিহ্যও দীর্ঘদিনের।
ছবি: ইন্ডিয়া টুডে
আরও পড়ুন:







